সোমবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   সোমবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ব্রেকিং নিউজঃ
কাতারে নতুন ভাইরাসের হানা,বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা জারি অভিনন্দন পটুয়াখালীতে নবাগত ডিসি শরীফুল ইসলাম। পটুয়াখালী'তে ভাসমান ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহা উৎসব।  কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন--২০২২ অনুষ্ঠিত।  বরগুনায় গ‍্যাস ট‍্যাবলেট খেয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যার অভিযোগ। বরগুনায় জাতীয় পতাকার অমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদাণ। কক্সবাজারে গভীর রাতে অভিযান: মাটি ভর্তি ডাম্পার জব্দ, ড্রাইভারের কারাদন্ড। কাশিয়ানিতে জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদ... কলাপাড়ায় ফার্নিচার তৈরীর কারখানায় অগ্নিকান্ড। নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বিয়ে ঠেকালো ইউএনও।
অবরোধ উপেক্ষা করে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের মহোৎসব, নিরব প্রশাসন!! 
মোয়াজ্জেম হোসেন, কলাপাড়া।
প্রকাশ: ১ জুলাই, ২০২২, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

অবরোধ উপেক্ষা করে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের মহোৎসব, নিরব প্রশাসন!! 
কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।।বঙ্গোপসাগরে ২১ মে থেকে চলছে মাছধরার উপর ৬৫ দিনের অবরোধ। অবরোধ উপেক্ষা করে সমুদ্রে চলছে জেলেদের মাছ শিকারের উৎসব।
নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, থানা পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সামনেই মাছধরা, বিক্রি এবং বাজারজাত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। জেলেদের আহরিত এসব মাছ খোলা বাজারে বিক্রি, বাজারজাত, পরিবহন করা হচ্ছে প্রকাশ্যেই। সমুদ্রে জেলেদের অবাধ বিচরণ চললেও মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের নিরবতায় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন। মৎস্য রক্ষায় সরকারের নির্দেশনাকে অমান্য করে জেলেদের অবরোধকালীন সময়ে মাছ শিকারে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে খোদ মৎস্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিস্তর
অভিযোগ। মাঝে মধ্যে অভিযানের নামে চলছে নাটকীয়তা এমনটাই অভিযোগ উপকুলবাসীর। অভিযোগ রয়েছে কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাড়ির সামনেই সমুদ্রে  জেলেরা দেদারছে মাছ শিকার করছে। অভিযানের সময় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অভিযান না চালিয়ে, অভিযান চালানো হয় রাঙ্গাবালী উপকুলীয় সমুদ্রে।
কুয়াকাটা, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর-মহিপুর, মৌডুবী, চর মোন্তাজসহ উপকুলীয় এলাকার একই চিত্র দেখা গেছে। অবরোধে সমুদ্রে মাছ শিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রশাসন দুষছে মৎস্য কর্মকর্তাদের আর মৎস্য কর্মকর্তারা দূষছেন প্রশাসনকে। অবরোধকালীন সময়ে বিএফডিসির খোলা বাজারে প্রকাশ্যে মাছ বেচা কেনা নিয়েও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নদীতে কোন জেলে নৌকা কিংবা জেলেদের মাছ ধরতে দেখা না গেলেও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যদিয়ে প্রমান হয় যে মৎস্য অবরোধের নামে চলছে প্রহসন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আড়ৎঘাটে ইলিশ,তপসী,
পোয়া,লইট্যা,ডাডিসহ সামুদ্রিক মাছের স্তুপ। আহরিত মাছের চলছে বাছাই প্রক্রিয়া।
যথারীতি হাঁক ডাকে ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে মাছগুলো। অধিক দরদাতা চালানি কারবারীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওইসব মাছ প্রেরণে প্রক্রিয়াজাতকরণসহ পরিবহনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিয়মমাফিক রাজস্ব আদায়ের কাজ করছেন আলীপুর মৎস্য আবতরণ কেন্দ্রর আদায়কারী কর্মকর্তারা। দেশের সমুদ্র সীমানায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞাকালীন সময় সমুদ্রে মাছ শিকার, সংরক্ষণও বিপনন সব কিছুই চলছে প্রকাশ্যে দিবালোকে। একই অবস্থা সরকারি দুটি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ কুয়াকাটা পৌর মার্কেট, ধুলাসার, বাবলাতলা, বালিয়াতলী, চরচাপলী ও গঙ্গামতি এলাকার সামুদ্রিক মাছের আড়ৎঘাটে।
নিষেধাজ্ঞা পালনকারী জেলেরা জানিয়েছেন, দেখভালের দায়িত্ব থাকা জেলা, উপজেলাসহ স্থানীয় প্রশাসনের গোপন সখ্যতায় এসকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। জেলে রুহুল মাঝি, ওয়াজেদ ঘরামী ও দেলোয়ার মোল্লা জানান, সমুদ্রে মাছ শিকার কাগজ-কলমে চলছে। বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ৬৫ দিনের এ দীর্ঘ সময়ে সমুদ্রে মাছ শিকারে না যাবার জন্য জেলেরা সরকারি সহয়তা আওতায় রয়েছে। বাস্তবে কিছু প্রভাবশালী ফিশিং ট্রলার মালিকরা জেলেদের সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে বাধ্য করছেন। এর মধ্যে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ও মহিপুর থানা পুলিশ কয়েকদফা রুটিন মাফিক লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে জেলেদের আটকসহ আর্থিক জরিমানা করে ছেড়ে দেয়। জনবল ও নৌযানের স্বল্পতার অজুহাত ছাড়া কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, নিজামপুর কোষ্টগার্ড, কুয়াকাটা নৌ-পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন তৎপরতা না থাকায় সরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ সামুদ্রিক মাছের আড়তঘাটে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ। অভিযোগ রয়েছে, কুয়াকাটা পৌরসভার মৎস্য আড়দদাররা কুয়াকাটা সৈকতে নিষেধাজ্ঞাকালীন অন্তত ৫ শতাধিক নৌকার দেড় হাজার জেলেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে পাঠিয়েছে। এজন্য প্রতিটি নৌকাকে গুনতে হয়েছে ১০হাজার টাকা।
অপর একটি সুত্র জানিয়েছে,মহিপুর-আলীপুর পেতাশ্রয় থেকে প্রায় দেড় শতাধিক ট্রলার গভীর সমুদ্রে ইলিশ শিকারে রয়েছে। এমনকি আহরিত মাছ সংরক্ষন,মজুদ ও বাজারজাত কারণে বরফ উৎপাদনের মিলগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সচল রাখা হয়েছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সমুদ্রে নাটকীয় অভিযানের নেপথ্যে থাকা কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই কামরুল ইসলাম মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে বলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই, কুয়াকাটা ও আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মাছধরা ট্রলার মালিক এবং
আড়তদারদের সাথে সখ্যতা থাকায় এসব জেলেদের ধরছে না নৌ পুলিশ কিংবা কোস্টগার্ড।
কলাপাড়া উপজেলা ফিশিং ট্রলার মাঝি সমিতির সভাপতি নুরু মাঝি বলেন, আড়ত গুলোতে যেসব মাছ বিক্রি হচ্ছে সবই সমুদ্রের মাছ। যা নদীর মাছ বলে চালিয়ে নিচ্ছে আড়তদার, প্রশাসন এবং মৎস্য কর্মকর্তারা। এসব অসাধু মৎস্য আড়তদারা সাংবাদিক সংগঠন গুলো ম্যানেজ করেছেন বলেও বিভিন্ন লোকজনের কাছে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছে।
আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক শাকিল আহম্মেদ বলেন, ভৌগলিক আবস্থানের কারণে জেলেদের আহরিত মাছ চিহিৃত করা যাচ্ছে না। কোনটি সমুদ্রের এবং কোনটি নদীর। তবে জেলেসহ দাদন ব্যবসায়ীরা নদীর মাছ বলেই বিএফডিসি পাইকারি বাজারে বিক্রি করছেন।
কলাপাড়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিষেধাজ্ঞাকালীন সমুদ্রে মাছ ধরায় পৃথক অভিযানে অসাধু জেলেদের কারাদন্ডসহ আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে এমন দাবীও করেন ওই কর্মকর্তা।
সামুদ্রিক প্রাণী ও জীববৈচিত্র নিয়ে কাজ করা ওয়ার্ল্ড ফিস এর সহযোগি প্রতিষ্ঠান ইকো
ফিস-২ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জানিয়েছেন, প্রশাসনের সঠিক
ব্যবস্থাপনা অভাবে সমুদ্রে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা পালন হচ্ছে না। বরফকল গুলো সচল রাখায়
সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ ও বিপননে সহয়তা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজাহারুল ইসলাম বলেন, নতুন যোগাদান করেছি। নিষোধাজ্ঞা কার্যকর করতে মাঠ পর্যায় কাজ করার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
Share Button




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

This image has an empty alt attribute; its file name is add-1-1024x672.jpg

সর্বাধিক পঠিত

  • প্রধান উপদেষ্টাঃ শাহজাদা পারভেজ টিনু।
    আইন উপদেষ্টাঃ এ্যাড আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
    (জজকোর্ড ঢাকা)
    সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোহিবুল্লাহ (মোহিব)
    নির্বাহী সম্পাদকঃ মো: মোস্তাফিজুর রহমান।
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক: নূর-ই আলম আজাদ।
    যুগ্ন সম্পাদকঃ আমিনুর রহমান রুবেল ও এস এম আমিনুল ইসলাম।
    সাহিত্য সম্পাদকঃ খলিলুর রহমান তাং ও ইউসুফ আলী তাং।
    বার্তা সম্পাদক : এস এম আওলাদ হোসেন।

অফিসঃ
ঢাকাঃ সুলতান টাওয়ার (৩য় তলা) টংঙ্গী বাজার, গাজিপুর, ঢাকা।
বরিশালঃ ৩৪৫ সিটি প্লাজা ৩য় তলা ,ফজলুল হক এভিনিউ বরিশাল।
কলাপাড়াঃ মমতা মার্কেট,বাদুড় তলী সূইজগেট,কলাপাড়া,পটুয়াখালী।
E-mail: somoynewskp@gmail.com
মোবাইলঃ 01721987722

Design & Developed by
  কাতারে নতুন ভাইরাসের হানা,বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা জারি   অভিনন্দন পটুয়াখালীতে নবাগত ডিসি শরীফুল ইসলাম।   পটুয়াখালী’তে ভাসমান ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহা উৎসব।    কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন–২০২২ অনুষ্ঠিত।    বরগুনায় গ‍্যাস ট‍্যাবলেট খেয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যার অভিযোগ।   বরগুনায় জাতীয় পতাকার অমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদাণ।   কক্সবাজারে গভীর রাতে অভিযান: মাটি ভর্তি ডাম্পার জব্দ, ড্রাইভারের কারাদন্ড।   কাশিয়ানিতে জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান।   কলাপাড়ায় ফার্নিচার তৈরীর কারখানায় অগ্নিকান্ড।   নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বিয়ে ঠেকালো ইউএনও।   দুর্গম পাহাড়ী এলাকা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফ্রি চিকিৎসা সেবা পৌছে দিলেন ২৩ বিজিবি।   কাশিয়ানীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে  সাজাইল ইউনিয়নে শরাফত হোসেন লাভলু মৃধার জনসভা অনুষ্ঠিত।    উখিয়া পুলিশের অভিযানে ৯১ রোহিঙ্গা আটক, বাস জব্দ।   ফের জগন্নাথে ছাত্রদল নেতার ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ।   কাশিয়ানীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে শরাফত হোসেন লাভলু মৃধার  মতবিনিময়।   দেশের ২৩ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক।   লবণ চাষী কল্যাণ সমিতি নামে মহেশখালীতে চাঁদাবাজিঃ দুই প্রতারক আটক।   মোল্লাহাটে কৃষি অফিসের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।   পটুয়াখালীতে ওজোপাডিকোর  দুর্নীতির অভিযোগ।   চম্পাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠন, সভাপতি সম্রাট হাওলাদার, সম্পাদক মুনিম তালুকদার।