বৃহস্পতিবার ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   বৃহস্পতিবার ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ব্রেকিং নিউজঃ
পকেটমার পেশায় নিয়োগ, বেতন ৮০ হাজার টাকা! ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি বিশ্বের দীর্ঘস্থায়ী অমানবিক অবিচার : চীন কাশিয়ানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি সুরক্ষা চেয়ে বৃদ্ধ মিনারা বেগমের সংবাদ সম্মেলন। কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন।। কলাপাড়ায় ১০টাকায় অসহায়দের জন্য বিদ্যানন্দের ‘রোজার বাজার। কলাপাড়ায় মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রা... ফরিদগঞ্জ বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেন'র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কে স্মার্ট মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি' কলাপাড়ায় স্বামী - স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।।
‘প্রশ্নবিদ্ধ’ নির্বাচন, সামনে কী আছে বাংলাদেশের জন্য
মো: ফয়জুল আলম
প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪, ১২:১৭ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

‘প্রশ্নবিদ্ধ’ নির্বাচন, সামনে কী আছে বাংলাদেশের জন্য

নিউজ ডেস্কঃ নির্বাচন শেষ হওয়ার একদিন পর ঢাকায় ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এসেছিলেন কূটনীতিকদের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে। খানিকটা চুপচাপ পিটার হাস কিছুক্ষণ কথা বললেন পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে। তারপর পশ্চিমা কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সাথে কিছু আলাপ। এরপর আসন গ্রহণের পালা। সামনের কয়েক সারি তখনো ফাঁকা। তবে পিটার হাস বসলেন বেশ দূরে, পঞ্চম সারিতে।

নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর যে চাপ, সেখানে অবশ্য সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমে মানবাধিকার লংঘনের দায়ে র‍্যাবের ওপরে নিষেধাজ্ঞা, পরে অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভিসা নীতির প্রয়োগ।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল ছাড়া যে নির্বাচন হয়েছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন। এছাড়া জাতিসঙ্ঘও প্রশ্ন তুলেছে।

কিন্তু এরপর কী? যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ পশ্চিমা দেশগুলো কি আগের মতই বাংলাদেশের সাথে বহুপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেবে? নাকি কোনো জটিলতা আসতে পারে?

আওয়ামী লীগ সরকারের এখানে চ্যালেঞ্জটা কোথায়? এমন সব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

‘বৈধতার সঙ্কট’ থাকবে?
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খুব দ্রুতই এই বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত, চীন, রাশিয়া। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ৫০টির বেশি দেশ অভিনন্দন জানিয়েছে।

এমনকি ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলা জাপানের রাষ্ট্রদূতও অভিনন্দন জানানোর জন্যে গণভবনে গিয়েছিলেন। জাপান আমেরিকার কৌশলগত মিত্র।

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দিন ঢাকায় নিযুক্ত অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের মতো যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটাস হাস নিজেও বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন।

সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আরো কয়েকজন মন্ত্রীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আওয়ামী লীগ এর আগে বাংলাদেশে দুই দু’টি বিতর্কিত নির্বাচন করেও ক্ষমতার মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে। দেশে-বিদেশে বৈধতার কোনো সঙ্কট সেসময় সেভাবে তৈরি হয়নি।

কিন্তু এবার নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার যে প্রতিক্রিয়া, সেটা আওয়ামী লীগ সরকারের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে ‘ভিন্ন ইঙ্গিত’ দিচ্ছে বলেই অনেকে মনে করছেন।

‘সরকার তো গঠিত হয় নির্বাচনের ভিত্তিতে। তারা (আমেরিকা-ব্রিটেন) বলেছে নির্বাচনটা যথাযথ হয়নি। আপনি এ দুটিকে বিচ্ছিন্নভাবেও দেখতে পারেন। আবার যদি কেউ এ দু’টিকে মিলিয়ে দেখে তাহলে তো তখন এই বৈধতার সঙ্কট থেকেই যাচ্ছে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব তৌহিদ হোসেন।

জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার টার্ক যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের গ্রেফতার এবং আটকাবস্থায় মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রকৃত ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রে’র জন্য সরকারকে ‘গতিপথ পরিবর্তন’ করতে হবে।

অন্যদিকে আমেরিকার বিবৃতিতে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি’। আর ব্রিটেন বলেছে, গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য যে বিশ্বাসযোগ্য ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা, মানবাধিকার, আইনের শাসন ইত্যাদি দরকার, বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় সেসব মানদণ্ড ধারাবাহিকভাবে মেনে চলা হয়নি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে একটা বিষয় লক্ষণীয় যে সেখানে বাংলাদেশের জনগণের সাথে কাজ করার কথা বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের কথা বলা হয়নি।

‘কেননা যে সরকারকে তারা মনে করছেন যে, সরকারটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হয়নি। অর্থাৎ তাদের যে পাবলিক ম্যান্ডেট সেটা নেই। তার সঙ্গে তাহলে তারা কিভাবে কাজ করবেন।”

‘প্রশ্নটি আমেরিকাকে মোকাবেলা করতে হবে। ফলে আগামীতে কী হবে, পাঁচ বছরের জন্যই এটা একটা স্থির জায়গায় চলে গেছে আমি সেটা মনে করছি না। সবেমাত্র নির্বাচন হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াটা ইতিবাচক নয়। ফলে এগুলো কিন্তু ভিন্ন রকম ইঙ্গিত দেয়,’ বলেন আলী রীয়াজ।

নির্বাচন আমেরিকার চোখে ‘গ্রহণযোগ্য’ না হওয়ায় দেশটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে কি-না বা কী করবে সেটা বুঝতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে বলেই মনে করেন আলী রীয়াজ।

কোন বিষয়ে ‘চাপ’ আসবে?
গণতন্ত্র, সমাবেশের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা যার মূল কেন্দ্রে থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।

কিন্তু এবার এটাও একটা বাস্তবতা যে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বের ভূ-রাজনীতি অনেকটা বদলে গেছে। বিশ্বে আমেরিকার একচ্ছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করছে চীন-রাশিয়া। বিদেশ নীতিতে ইউরোপের মধ্যেও অনৈক্য আছে।

এর মধ্যেই ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ এবং আমেরিকার আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন -এই দুইয়ে মিলে মার্কিন প্রেসেডিন্টের সামনে অনেক ইস্যু।

দেশটির পররাষ্ট্র দফতর এসব কিছুর ব্যস্ততায় এবং পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশকে কতটা মার্কিন নীতির অগ্রাধিকারে রাখবে সেটা একটা বড় প্রশ্ন।

‘যুক্তরাষ্ট্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকা। সেখান থেকে তারা এ মুহূর্তে সরে যাবে সেরকম লক্ষণ আমি দেখতে পাই না। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের মতপার্থক্য,’ বলেন অধ্যাপক রীয়াজ।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৮ অক্টোবরের পরে আমার মনে হয়, আমেরিকা এক কদম পিছিয়ে গেছে। কিন্তু এক কদম পিছিয়ে যাওয়া কি কৌশলগত? তারা কি দেখতে চায় যে সাতই জানুয়ারি এবং এর পরে কী ঘটল?

‘ভারতের পক্ষ থেকে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি বা আশ্বাস দেয়া হয়েছে, সেগুলো পালিত হচ্ছে কি-না। সে প্রশ্নগুলো কিন্তু আমরা এড়াতে পারছি না। ফলে একটু সময় নিয়ে দেখতে হবে সামনে কী ঘটে।’

চীন-ভারত কতটা কাজে আসবে?
নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য সুবিধা হচ্ছে, চীন-রাশিয়া-ভারতসহ পঞ্চাশটিরও বেশি দেশের সমর্থন। কিন্তু এসব দেশের সমর্থন থাকলেও বাংলাদেশের বিপদটা অন্য কারণে। সেটা হচ্ছে, সঙ্কটে থাকা অর্থনীতি।

কিন্তু বাংলাদেশ যদি অর্থনীতিতে আরো চাপে পড়ে তাহলে কূটনীতিতে অবিরাম সমর্থন দিয়ে যাওয়া ভারত সেখানে কতটা কী করতে পারবে?

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব তৌহিদ হোসেন বলছেন, এক্ষেত্রে ভারতের তেমন কোনো সামর্থ্য নেই।

তিনি বলেন, ‘যে তিনটা রাষ্ট্র শক্তভাবে সরকারকে ব্যাক করছে, তারা কিন্তু আমাদের বাজার না। আমরা তাদের বাজার। কিন্তু আমাদের বাজার যেটা সেটা কিন্তু পশ্চিমে। সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, সেটা ইউরোপে।’

‘অর্থনীতির চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ আছে। এবং সেই চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে ভারত কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। কারণ ভারত কী করে? ভারত আমাদের কাছে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী বিক্রি করে। আমরা সেটা কিনি। তারা কি বিনামূল্যে আমরা যেটা কিনি সেটা দেবে? দেবে না, দিতে পারবেও না। সে সামর্থ্য তাদের নেই। এমনকি ঋণ হিসেবেও দেয়ার মতো সামর্থ্য তাদের নেই,’ বলেন তৌহিদ হোসেন।

তবে চীন বাংলাদেশকে কিছু ডলার সহায়তা করলেও করতে পারে। কিন্তু তৌহিদ হোসেনের মতে, সেটা বরং বাংলাদেশের দায় বাড়াবে। কারণ ডলার সহায়তা আসলেও সেটা আসবে ঋণ হিসেবে।

সবমিলিয়ে এটা নিশ্চিত যে, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং তাদের আস্থায় আনা গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু আমেরিকার মতো দেশ যখন বাংলাদেশের নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন সেটা কতটা সহজ হবে?

এমন প্রশ্নে সদ্য বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন অবশ্য পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কে কোন সমস্যা দেখেন না।

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে তিনি বিবিসিকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন।

‘তারা আমাদের বলেছে যে আমাদের সাথে তাদের যে সম্পর্ক সেই সম্পর্কটা তারা বলবৎ রাখবে। তবে তারা যেটা বলেছে, হিউম্যান রাইটসের ইস্যু। এগুলো কন্টিনিউইং প্রসেস। এগুলোর কোন শেষ নেই। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করবো,’ বলছিলেন সদ্য বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

আওয়ামী লীগ আশাবাদী নির্বাচনের পরের পরিস্থিতি বিশেষত: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তারা সামলে নিতে পারবে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর জন্য দেশের ভেতরে যে ধরণের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জোর দরকার, বাংলাদেশ সেটা কিভাবে, কতটা নিশ্চিত করতে পারবে সেটা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।

সূত্র : বিবিসি

Share Button




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

This image has an empty alt attribute; its file name is add-1-1024x672.jpg

সর্বাধিক পঠিত

  • প্রধান উপদেষ্টাঃ শাহজাদা পারভেজ টিনু।
    আইন উপদেষ্টাঃ এ্যাড আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
    (জজকোর্ড ঢাকা)
    সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোহিবুল্লাহ (মোহিব)
    নির্বাহী সম্পাদকঃ মো: মোস্তাফিজুর রহমান।
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক: নূর-ই আলম আজাদ।
    যুগ্ন সম্পাদকঃ আমিনুর রহমান রুবেল ও এস এম আমিনুল ইসলাম।
    সাহিত্য সম্পাদকঃ খলিলুর রহমান তাং ও ইউসুফ আলী তাং।
    বার্তা সম্পাদক : এস এম আওলাদ হোসেন।

অফিসঃ
ঢাকাঃ সুলতান টাওয়ার (৩য় তলা) টংঙ্গী বাজার, গাজিপুর, ঢাকা।
বরিশালঃ ৩৪৫ সিটি প্লাজা ৩য় তলা ,ফজলুল হক এভিনিউ বরিশাল।
কলাপাড়াঃ মমতা মার্কেট,বাদুড় তলী সূইজগেট,কলাপাড়া,পটুয়াখালী।
E-mail: somoynewskp@gmail.com
মোবাইলঃ 01721987722

Design & Developed by
  পকেটমার পেশায় নিয়োগ, বেতন ৮০ হাজার টাকা!   ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি বিশ্বের দীর্ঘস্থায়ী অমানবিক অবিচার : চীন   কাশিয়ানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।   পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি সুরক্ষা চেয়ে বৃদ্ধ মিনারা বেগমের সংবাদ সম্মেলন।   কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন।।   কলাপাড়ায় ১০টাকায় অসহায়দের জন্য বিদ্যানন্দের ‘রোজার বাজার।   কলাপাড়ায় মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী।   ফরিদগঞ্জ বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেন’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ   ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কে স্মার্ট মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি’   কলাপাড়ায় স্বামী – স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।।   কলাপাড়ায় ইনজুরি প্রিভেনশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।।   একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী   খিলক্ষেত কাঁচাবাজার আগুনে পুড়ল   ১২০ টাকায় পুলিশে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিলেন লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার   বরগুনা ও পটুয়াখালী সড়কে আমতলীর ফেরির কারণেই মরণ ফাঁদে পরিনত।   হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড   কলাপাড়ায় বিমান বন্দর নির্মাণের সম্ভব্য স্থান পরিদর্শন।।   এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে   দেশের স্বার্থে আরও বেশি সংখ্যায় সন্তান চান পুতিন   সাংবাদিক ইলিয়াস গ্রেপ্তার